স হ বা সের পর সঙ্গে সঙ্গে গোসল না করলে কী করবেন?জেনে নিন সুন্নাহর বিধান
স হ বা সের পর সঙ্গে সঙ্গে গোসল না করলে কী করবেন?জেনে নিন সুন্নাহর বিধান
ইসলাম মানুষের জীবনের প্রতিটি বিষয়ে সুন্দর দিকনির্দেশনা দিয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর বৈধ সম্পর্কও এর অন্তর্ভুক্ত। (স হ বা সের) পর কখন গোসল করতে হবে, কখন অজু করা উত্তম—এসব বিষয়েও রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। অনেকের মনে প্রশ্ন আসে—স হ বা সের পর সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা কি জরুরি?
এর উত্তর হলো, স হ বা সের কারণে গোসল ফরজ হয়ে যায়। তবে সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা ফরজ নয়। কিন্তু নামাজের সময় হওয়ার আগে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَإِن كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا
অর্থ:আর যদি তোমরা অপবিত্র অবস্থায় থাকো, তবে পবিত্রতা অর্জন করো (গোসল করো)। (সূরা আল-মায়িদাহ: ৬)
যদি কোনো কারণে সঙ্গে সঙ্গে গোসল করা সম্ভব না হয়, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাঃ এর সুন্নাহ হলো—অজু করে নেওয়া।
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন—
كَانَ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ وَهُوَ جُنُبٌ تَوَضَّأَ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ
অর্থ: রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন জানাবাত অবস্থায় ঘুমাতে চাইতেন, তখন নামাজের অজুর মতো অজু করে নিতেন।
(সহিহ বুখারি: ২৮৭, সহিহ মুসলিম: ৩০৫)
সুন্নাহ অনুযায়ী করণীয়:
✔️ ল/জ্জা/স্থান পরিষ্কার করা।
✔️ নামাজের মতো অজু করা।
✔️ এরপর ঘুমানো বা প্রয়োজনীয় কাজ করা।
✔️ সুযোগ হলে দ্রুত গোসল করে পবিত্র হওয়া।
জা/না/বাত অবস্থায় খাওয়া-দাওয়া করা বৈধ, তবে অজু করে নেওয়া উত্তম। মনে রাখবেন, পবিত্রতা মুমিনের সৌন্দর্য। তাই ছোট ছোট সুন্নাহগুলোকে গুরুত্ব দিন। কারণ যে ব্যক্তি সুন্নাহকে ভালোবাসে, আল্লাহ তার জীবনে বরকত দান করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ
অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন এবং যারা পবিত্রতা অর্জন করে তাদেরও ভালোবাসেন।
(সূরা আল-বাকারা: ২২২)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্রতা ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
Secure Link Activation
Verifying your session for
safe access to the content.
Verification is automatic.

Comments
Post a Comment