গতবছর একটা লেখা পড়েছিলাম যার সামারি হলো,...see more
গতবছর একটা লেখা পড়েছিলাম যার সামারি হলো,
লয়াল মেয়েরা জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে ভীষণভাবে ঠকে যায়।
অন্যদিকে যেসব মেয়েরা চিট করে বেড়ায় তারা পায় সোনায় সোহাগা জামাই।
সমাজে তাকালে বোঝা যায়, সত্যিকার অর্থেই খুব করে সংসার করতে চাওয়া মেয়েদের সুখের সংসার হয় খুব কম।
লয়াল-দ্বীনদার মেয়েরা এমন স্বামী পায়, যে স্বামীর কথা সে দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। তাদের রাত জাগা আর্তনাদ কারো কানে যায়না। দিনশেষে এসব মেয়েরা হয় প্রচন্ড বঞ্চিত। ভাত-কাপড় তো সবাই পায়, তবে মানসিক শান্তি নষ্ট হয়ে যায়।ভঙ্গুর হৃদয় ভাবে কোনভাবে বের হওয়া যায়না এই সংসারধর্ম থেকে?কিন্তু সমাজ? সংসার ভাঙলে সমাজ কি বলবে?
এই ভেবে মুখ বুঝে চোখের পানি ফেলে দিনের পর দিন সহ্য করে যায় তারা।
সহ্য করার এই সংসারে একজন হয়ে উঠে জালিম, আরেকজন মাজলুম!
অন্যদিকে স্বামীকে ডোন্ট কেয়ার করা বান্দারা স্বামীর ভালোবাসায় আয়েশ করে বাঁচে। তাদের জীবন হয় বেড টি পাবার জীবন!
পারলে স্বামী ননির পুতুল করে রাখে।
কিভাবে ওয়াইফ কে ভালো রাখা যাবে তা ই হয় বুঝি তাদের সকল প্রচেষ্টায় মূল!
এই মেয়েগুলো জীবন বাঁচে জীবনের মতো!
সুখ-শান্তি সব পেয়ে তারা সাকসেসফুলি ম্যারেজ লাইফের দিন পার করে।
প্রথম ভাগের মেয়েদের জন্য আমার খুব মায়া লাগে, সকল ত্যাগ করেও তাদের কিছুই থাকেনা। ম্যারেজ কাউন্সিলিং এর এক আপু বলেছিলেন কত মেয়ে আছে স্বামীর এসব সহ্য না করতে পেরে সু/ই/সা/ই/ড করতে যায়।
ভয়ানক তাই না?
আল্লাহ যাকে বানিয়েছেন প্রশান্তির জন্য সে ই অশান্তির মূল কারণ!
অশান্তির সীমা এত বেশি যে বাঁচার ইচ্ছাটুকু কেড়ে নেয়!
শেষ পর্যন্ত অনেকেই সয়ে যায়!
সব ভুলে একটা জীবন পার করে দেয়!
সে জীবন হয় সয়ে যাবার জীবন!
— লেখা : তাসনিম মমো
❑ এখন আসুন গাইডলাইন টু জান্নাহ কি বলে:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
বোন এমন স্বামী যদি পান, তাহলে আপনি ধৈর্য ধরুন, আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। নিশ্চয়ই আল্লাহ সাধ্যের চেয়ে বেশি কিছু বান্দার উপর চাপিয়ে দেন না। আল্লাহ খারাপ স্বামী দিয়েও পরীক্ষা নিয়ে থাকেন। বিনিময়ে তিনি জান্নাত রেখেছেন ইংশাআল্লাহ্। আপনাকে পাশ করতে হবে বোন।
ধৈর্য সীমার বাহিরে হলে— পরিবার, ইমাম, মুফতিদের সমন্বয়ে বসে সুরাহা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী।
❂ বোন ভালো স্বামীর জন্য বিয়ের আগে যা যা করবেন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১। আপনাকে উত্তম নেককার স্বামী পেতে হলে, নিজেকেও উত্তম ও নেককার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
২। উত্তম জীবনসঙ্গীর জন্য সর্বদা দোয়া করতে হবে। রবের কাছে আকুতি মিনতি করে, কান্না করে উত্তম জীবনসঙ্গী চেয়ে নিতে হবে।
৩। বিয়ের আগে সর্বদিক খোঁজ নিতে হবে, প্রয়োজনে সময় নিতে হবে। কারণ, বিয়ে ১-২দিনের জন্য নয় বরং সারাজীবনের জন্য, এমনকি পরকালেও যার সাথে জান্নাতে থাকবেন, তার ব্যাপারে সর্বোচ্চ খোঁজ-খবর নিবেন।
৪। তাহাজ্জুদে চাইবেন, ইস্তেখার করবেন।
৫। রুপের চেয়ে দ্বীনদারিতাকে আগে প্রাধান্য দিবেন।
৬। হালাল ইনকাম করে কিনা, প্রোপার খোঁজ নিবেন। হারাম ইনকামে বিন্দু মাত্র ইনভলভ থাকতে আগাবেন না।
৭। রাসূলের সুন্নাত অনুসরণ করে কিনা দেখবেন বোন। বিশেষ করে মুখে দাঁড়ি মোবারক আছে কিনা।
৮। বাবা-মাঁ, আত্নীয়, প্রতিবেশিদের সাথে তার ব্যবহার কেমন জানবেন। সম্ভব হলে মসজিদের ইমাম থেকে খোঁজ নিবেন। তাঁরা কখনো মিথ্যা বলবে না।
৯। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে চাইলে খোঁজ নিবেন, তার পুরোনো বন্ধুদের সাথে তার সম্পর্ক কেন, সম্পর্ক আছে কি নেই!
— উত্তম জীবনসঙ্গীর জন্য আমল কো পূর্বের পেইজে দিয়েছি। আমল করবেন।
❑ অনেকে আবার কিছু প্রশ্ন ছুড়েন যে,
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আছিয়া ও ফেরাউনের ব্যাপারে। আছিয়া নেককার নারী হয়েও কেন ফেরাউনকে পেল?
তারা মনে করে, আছিয়ার মতো পবিত্র নারীকে ফেরাউনের মতো পাপিষ্ঠ স্বামী দেয়াটা ছিল তার জন্য ‘অশুভ’।
কিন্তু কুরআন বলে আসুন শুনি—
“আর আল্লাহ বিশ্বাসীদের জন্য ফেরাউনের স্ত্রীকে উদাহরণ বানিয়ে দিয়েছেন। যখন সে বললো: ‘হে আমার রব! আমার জন্য জান্নাতে তোমার কাছে একটি ঘর তৈরি করো, আর আমাকে ফেরাউন ও তার কৃতকর্ম থেকে উদ্ধার করো...”
(সূরা আত-তাহরীম, ৬৬:১১)
ছোট করে বোঝায়—
আছিয়া পেয়েছিলেন ফেরাউন, কিন্তু তিনি ফেরাউনের কারণে ধ্বংস হননি; বরং তিনি ফেরাউনকে ঘৃণা করেছেন, আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন, এবং শহীদ হয়েছেন জান্নাত লাভের জন্য। তাঁর জীবন প্রমাণ করে—
১. স্বামী খারাপ হওয়া মানেই পরাজয় নয়, বরং সেটি ঈমানের পরীক্ষা।
২. খারাপ স্বামীর সঙ্গে থেকে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়, তাহলে সেটি বিরাট সাফল্য।
৩. আছিয়া কিন্তু ‘সয়ে যাননি’—তিনি আল্লাহর কাছে ফেরাউন থেকে মুক্তি চেয়েছেন এবং শেষ পর্যন্ত পেয়েছেন। তাই ‘সয়ে যাওয়া’ ইসলামি আদর্শ নয়, বরং আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়াই আদর্শ।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments
Post a Comment