ইসলামে সতীত্ব বা যৌ*ন নৈতিকতা কখনোই শুধু নারীর জন্য নির্ধারিত কোনো বিধান নয়। বরং,...see more

 


ইসলামে সতীত্ব বা যৌ*ন নৈতিকতা কখনোই শুধু নারীর জন্য নির্ধারিত কোনো বিধান নয়। বরং, এটি পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য সমানভাবে বাধ্যতামূলক একটি চারিত্রিক দিক। পবিত্র কুরআন সরাসরি মুমিন পুরুষদের তাদের দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করতে বলেছে । এই নির্দেশনার মাধ্যমেই ইসলাম পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ভণ্ডামি ও নারীদের ওপর একতরফা দায় চাপানোর প্রবণতাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং প্রকৃত ইসলামি নৈতিকতা ও আচরণের ভিত্তি স্থাপন করে ।


📌 ইসলামে পুরুষদের সতীত্ব : 

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১. মৌলিক নির্দেশ ও কর্তব্য:

কুরআনের সূরা আন-নূরের ৩০ নম্বর আয়াতটি হচ্ছে পুরুষের সতীত্ব রক্ষার মূল ভিত্তি। শুধু তাই নয়, হাদিসে রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রতিটি অঙ্গের সতীত্বের কথা বলেছেন এবং মুখের অশ্লীল কথাকেও জিনা বা অসতীত্বের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ইসলামি দৃষ্টিকোণে, পুরুষের জন্য উত্তেজনা বা কামনা দমনের পথ হিসেবে রোজা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা আত্মনিয়ন্ত্রণের একটি অনুশীলন ।


২. হজরত ইউসুফের (আ.) দৃষ্টান্ত:

হজরত ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনাটি পুরুষ সতীত্বের সর্বোত্তম উদাহরণ। জুলেখা যখন তাকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তখন তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহর ভয়কে প্রাধান্য দিয়েছিলেন । এটি প্রমাণ করে যে প্রকৃত পুরুষত্ব বা ইসলামি ম্যাসকুলিনিটি হলো নিজের আবেগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা, অনৈতিকতার জন্য দায় নারীর ওপর চাপানো নয় ।


৩. ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা:

ইসলামের দৃষ্টিতে সতীত্ব হারানো বা অসৎকর্মে লিপ্ত হওয়ার দায় সম্পূর্ণভাবে ঐ ব্যক্তির নিজের, লি*ঙ্গ নির্বিশেষে। পর্নোগ্রাফি দেখা, অশ্লীল কথাবার্তা বলা, পরকীয়া বা অন্য কোনো যৌন অনাচার; এসব প্রতিটি ক্ষেত্রেই পুরুষকে তার কাজের জন্য জবাবদিহি করতে হবে । ফাসিক বা বেহায়া বলা সেই পুরুষকেই যায়, যে এই সকল কাজে লিপ্ত হয়, সে যত বড় সমালোচকই হোক না কেন।


৪. দাম্পত্য জীবনে প্রভাব:

ইসলামে দাম্পত্য জীবন পবিত্র ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। পুরুষের যদি অসতী চরিত্র থাকে বা পর্নো*গ্রাফির নেশা থাকে, তা তার স্ত্রীর জন্য অত্যন্ত কষ্টকর এবং অবমাননাকর হতে পারে। বিয়ের আগে নিজের চরিত্র গঠন করা এবং স্ত্রীকে তার পূর্ববর্তী জীবনের জন্য কখনো সমালোচনা না করাও ইসলামি নৈতিকতার অংশ ।


৫. দ্বৈত মানসিকতার সমালোচনা:

বর্তমান সমাজে পুরুষেরাই যখন ধর্মকে ব্যবহার করে নারীকে সীমাবদ্ধ করে, কিন্তু নিজেরা ধর্মীয় বিধান উপেক্ষা করে, তখন এটি ইসলামি বিধানের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। আপনার পর্যবেক্ষণ যেমনই হোক, ইসলামের মূল শিক্ষা হলো নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই সমান নৈতিক দায়িত্ব এবং মানুষের চরিত্র বা কর্মের বিচার তার লিঙ্গের ভিত্তিতে নয়, বরং তার তাকওয়া ও কর্মের ভিত্তিতে হবে ।


মনে রাখবেন, শয়তান বা অসৎ প্রলোভন পুরুষ এবং নারী উভয়কেই লক্ষ্য করে। পরকালের কঠিন দিনে সেই সাত শ্রেণির মানুষের অন্যতম, যিনি কোনো রূপবতী ও প্রভাবশালী নারীর প্রলোভন প্রত্যাখ্যান করে সতীত্ব রক্ষা করেন—এটি একটি পুরুষের জন্য শ্রেষ্ঠ সম্মান। আসুন, ইসলামের এই সার্বজনীন ও ন্যায়নিষ্ঠ আদর্শকে বুঝি এবং সব ধরনের বখাটে আচরণ থেকে নিজেদের রক্ষা করি

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

15s

⏳ Stay here — your offer will open shortly.
✅ You can go back to this page anytime.

Comments

Popular posts from this blog

মধ্যযুগের মহিলাদের মধ্যে পর'কীয়া ঠেকানোর বিরল পথ- অদ্ভুত অভ্যাস ছিল। বিবাহিত মহিলারা...more

শারীরিক সম্পর্ক কত সময় হলে স্বাভাবিক ধরা . more

ব্রেকিং:দেশজুড়ে টানা ৪ দিনের ছুটি ঘোষণা...see more